1. admin@nbcbangla.com : nbcbangla :
সুইস ব্যাংক কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে?
October 28, 2021, 3:58 pm

সুইস ব্যাংক কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে?

  • Update Time : Saturday, April 17, 2021
সুইস ব্যাংক কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে?
সুইস ব্যাংক কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে?

  পৃথিবীর শির্ষ ধনি ব্যাক্তিদের নগদ অর্থ বা সম্পদ জমানোর সবচেয়ে জনপ্রিয় গনত্ব্য হলো সুইস ব্যাংক।

সুইস ব্যাংক বলতে কোন একটি ব্যাংককে বোঝায় না।সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকিং নিতিমালায় পরিচালিত প্রায় ২৫০ টি ব্যাংক এবং আর্থিক সেবাদানকারি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিত ভাবে সুইস ব্যাংকপ নামে পরিচিত।পৃথিবীর বিভিন্ন অন্চলের অসাধু দূরনিতিবাজ বিত্তশালীদের ট্যাক্স ফাকি দেওয়া অর্থ এবং অবৈধ সম্পদ জমা রাখার জন্য সুইস ব্যাংক বিখ্যাত। ৩০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলো গোপনীয়তার সাথে  এই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

সুইজারল্যান্ডের সকল ব্যাংক নিয়ন্ত্রন করে সুইস ফেডারেল ব্যাংকিং কমিশন। সুইস ব্যাংকের একাউন্ট অন্য সাধারন ব্যংক একাউন্টের মতই কাজ করে।তবে এসব ব্যাংকের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল মূলধনের সর্বনিম্ন ঝুকি এবং গ্রাহকের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা রক্ষা করে।১৯৩৪ সালে একটি সুইস আইনুযায়ি সুইজারল্যান্ডের আমানতকারি গোপনীয়তা রক্ষা করে।সুইস ব্যাংকের সাথে আমানত কারিদের সম্পর্ক একজন আইনজীবি এবং তার মক্কেলএর মতো। আইনজীবি যেমন একজন মক্কেলের গোপনীয়তা বজায় রাখে  সুইস ব্যাংক ও তেমনি সকল আমানতকারির গোপনীয়তা রক্ষা করতে বাধ্য।এমন কি এই ব্যাংকে কারকার একাউন্ট আছে সেটাও তারা জানায় না।কোন ব্যাংক যদি আমানত কারির তথ্য প্রকাশ করে সে ব্যাংককে উক্ত ব্যাক্তি আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারে।গোপনীয়তা ভঙ্গের একজন সুইস কর্মকর্তা এবং ব্যাংকে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদন্ড এবং ৪৫ লক্ষ টাকা জরিমানা হতে পারে। সুইস ব্যাংক এর কঠোর গোপনীয়তার কারনে সারা বিশ্বের অবৈধ অর্থ পাচারের গোপন মাধ্যেম হিসাবে ব্যাবহার করে সুইস ব্যাংক।
সুইস ব্যাংক,সুইস ব্যাংক কি,সুইস ব্যাংকিং এর সব গোপনীয়তা,atm মেশিন কীভাবে কাজ করে,সুইস ব্যাংকে প্রিন্স মূসার ৯৬ হাজার কোটি টাকা,সুইস ব্যাংকে ধনীরা কেন টাকা রাখে,সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশীদের টাকা,সুইস ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে কত টাকা লাগে,সুইস ব্যাংকে কেন টাকা রাখে বিশ্বের বিত্তশালীরা,সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অবৈধ টাকার ঢল,সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকার পরিমাণ,কেন ধনীরা সুইস ব্যাংকে অর্থ রাখেন,সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের 'টাকার পাহাড়',সুইস ব্যাংক কোথায়,সুিস ব্যাংকে কেন অর্থ রাখে সারা দুনিয়ার খ্যাতিমান এবং বিত্তশালীরা

গোপনীয়তা ছারাও সুইস ব্যাংকের আরও কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যে কারনে পৃথিবীর শির্ষ ধনকুবেরেরা এখানে তাদের অর্থ জমা করে।সুইজারল্যান্ডের মুদ্রার নাম সুইস ফ্রাংক। এটি পৃথিবীর অন্যতম স্থিতিশীল মুদ্রা।এক সুইস ফ্রাংকের মূল্য বাংলাদেশি ৯১ টাকারও বেশি।সুইস ফ্রাংকের মুদ্রাস্ফীতি নেই বল্লেইচলে।এবং দিনদিন এই মুদ্রার মান বেড়েই চলছে।বিগত শতকের ত্রিশ এর দশকে মহা মন্দার ফলে সারা বিশ্বের মত সুইজারল্যান্ডের অর্থনীতিও ২০ শতাংশ হ্রাস পায়।এর পড় থেকেি তারা কঠোর নিয়ন্ত্রনের মাধ্যেমে সুইজারল্যান্ডের অর্থনীতি এবং প্রশাসনিক কাঠামো সর্বোচ্চ স্থিতিশীল রাখার চেষ্টায় সফল।এছারাও সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকাররা বপচ দক্ষ,তারা জানে ব্যাংকের টাকা কোথায় বিনিয়োগ করলে সর্বোচ্চ মুনাফা পাওয়া যায়।অনেক দেশেই মানুষ অধিক সুদের আশায় ব্যাংকে টাকা রাখে।
কিন্তু সুইস ব্যাংকের সুদের হার মাত্র ০.৭%।এখানে সুদের হার শুধু কমই না অনেক ক্ষেত্রে সুদের হার মাইনাসও হয়ে যেতে পারে।অর্থাৎ আপনার টাকা জমা রাখার জন্য উল্টো আপনাকেই ব্যাংকে সুদ দিতে হতে পারে। সুইস ব্যাংকে একাইন্ট খোলাও সহজ নয়,অসাধারনত যেকোন একাউন্ট খুলতে হলে আপনাকে স্বশরিলে যেকোন সুইস ব্যাংকপ উপস্থিত হতে হবে।ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য নূন্যতম একলক্ষ ইউএস ডলার জমা রাখতে হয়,যা বাংলাদেশি টাকায় ৮৫ লক্ষ টাকার সমান।এবং এই একাউন্ট রক্ষনা বেক্ষন এর জন্য ব্যাংককে বাৎসরিক ২৬ হাজার টাকা চার্জ কাটা হয়।একজন আমানত কারির সকল সম্পদের উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর একাউন্ট খোলার অনুমতি দেওয়া হয়।
তবে সত্যিকার অর্থে ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া অর্থ,দূর্নিতি পড়ায়ন ব্যাক্তি অসাধু রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা এবং অসাধু লোকেরা তাদের সম্পদের পাহার গড়ছে সুইস ব্যাংকগুলোতে।বিদেশী অপরাধীদের শনাক্ত করতে কিছু ক্ষেত্রে সুইস ব্যাংক গুলো তাদের গোপনীয়তা শিথিল করে।যেমন কারও বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, কর ফাকি, দূর্নিতি সম্পর্কিত মামলা থাকলে ব্যাংকগুলো তথ্য প্রকাশ করতে পারে।
বিভিন্ন দেশ থেকে জমাকৃত অর্থের বিচারে ভারতের অবস্থান ৭৭ তম,বাংলাদেশপর অবস্থান ৮৫ তম এবং পাকিস্তানের অবস্থান ৯৯ তম।শুধুমাত্র ২০১৯ সালে বাংলাদেশীরা সারে পাঁচ হাজার কোটি টাকা সুইস ব্যাংক জমা করেছে।সল্পউন্নত দেশগুলো থেকে পাচার কৃত টাকায় বিচারে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম দিকে।বাংলাদেশের কয়েক বছরের বাজেটের সমপরিমাণ অর্থ শুধুমাত্র সুইজারল্যান্ডে পাচার করা হয়েছে।এত বিপুল পরিমান টাকার যদি কর দেওয়া হতো তাহলে দেশের স্বাথ্য,শিক্ষা খাতের বাজেট কয়েক গুন বারানো যেতো।সুইজারল্যান্ড এর ব্যাংক গুলো কালোটাকা নিরাপদে রাখার জন্য কুখ্যাত হলেও তথাকথিত উন্নত জীবন যাত্রার মান এর কারনে দেশটি বিশ্ব বিখ্যাত। পৃথিবীর শির্ষ দশটি বসবাস যগ্য শহরের তালিকায় সুইজারল্যান্ডের আছে তিনটি শহর।অপরুপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দেশ সুইজারল্যান্ড। 

Please Share This Post in Your Social Media

See More News Of This Category

Site Customized By NewsTech.Com

About Contact Disclaimer Privacy Policy T / C

© All rights reserved Nbc Bangla 2021